আম আমাদের সবার প্রিয় ফল, আমের সিজন শুরু হতে অনেক দেরি অথচ এখনই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে পাকা আম! স্বাদ গন্ধহীন পাকা সাদৃশ্য এই আম গুলিকে বাজারে আনার আগে ব্যাহার করা হয় অতি মাত্রায় রাসায়নিক এবং প্রিজারভেটিব। মুলত ২০ মে’র আগে প্রাকৃতিকভাবে পাকা আম পাওয়া কোনভাবেই সম্ভব নয়।
অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে সাথে কোন বিজনেস কানেক্ট থাকা মানে বিশ্ববাজারে বিজনেসটির উপস্থিতির আত্মপ্রকাশ করে। আর এটি থাকলে বুঝতে হবে অবশ্যই ঔ বিজনেসটির গ্রহনযোগ্যতা আছে বা সবরকম আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমেই বিজনেসটিরে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তাই কেনাকাটার ক্ষেত্রে সবসময় দেখে নেবেন বিজনেসটির অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে আছে কিনা আর থাকলে সেখান থেকে নিশ্চিন্তে কেনাকাটা করুন এবং গেটওয়ের মাধ্যমে পেমেন্ট করুন আর তা সম্ভব না হলেও ক্যাশ অন ডেলিভারী অথবা বিকাশ পেমেন্ট কর
প্রতিদিনের রান্নায় বেশির ভাগ পরিবার ভোজ্য তেল হিসেবে সায়াবিন তেল ব্যবহার করে থাকে। অন্যান্য ভোজ্য তেলের তুলনায় এটা সহজ্যলভ্য এবং দামে সস্তা, তাই সায়াবিন তেল ব্যবহারকারীর সংখ্যাও বেশি।
ক্যালসিয়াম এমন একটি মিনারেল যা শরীরের চর্বি কমিয়ে ওজনটাকেও কমিয়ে দেয়। ক্যালসিয়ামের অভাব হলে রক্তে প্যারাথাইরয়েড় হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। এটি একই সাথে রক্তে এ্যাকটিভ ভিটামিন-ডি এর মাত্রা বড়িয়ে দেয়। এই প্যারাথাইরয়েড হরমোন এবং ভিটামিন ডি ফ্যাট সেলগুলোতে ক্যালসিয়ামের অনুপ্রবেশ ঘটায় এবং ফ্যাটসেলগুলোতে আরো ফ্যাট জমা হতে সাহায্য করে।
আপনি যদি ঠিক সময়ে সকালের নাস্তা করেন তাহলে এটা আপনার শরীরের বাড়তি ওজন কমাতে সাহায্য করবে। নিয়ম মেনে সকালের নাস্তা করতে হবে যেমন ফল অথবা ফলের জুস, ডিম, কম চর্বিযুক্ত দুধ।
ব্রোকলি বাঁধাকপি পরিবারের একটি উদ্ভিদ। ব্রোকলি সাধারণত সেদ্ধ বা কাঁচা খাওয়া যায়।তবে এটি কাঁচা সবজি হিসেবে জনপ্রিয়।
মাছ ও মাছের তেল কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড থাকে। ভিটামিন, মিনারেল, প্রোটিন সহ আরো বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানও প্রচুর পরিমাণে থাকে মাছে।
গাজর রক্তের কোলেস্টরল কমায়। গাজরে রয়েছে প্রচুর আঁশ বা ফাইবার। আর এই ফাইবারে থাকে পেপটিন নামক উপাদান যা রক্তের কোলেস্টেরল হ্রাসে সহায়ক। গাজর মেমোরি লস বা স্মৃতিশক্তি হ্রাসের প্রবণতার গতিকে কমিয়ে দেয়। গাজর আহার অস্থি বা বোন হেলথ এর উন্নতি করে।
বাদাম, শিম, দুগ্ধজাত পণ্যে জিঙ্কের পরিমাণ বেশি থাকে। মনে রাখবেন, শিশুদের ক্ষেত্রে জিঙ্কের পরিমাণ কমে গেলে তারা বেশি ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যায়।
প্রতিদিন একই ধরনের খাবার কোনোভাবেই খাওয়া উচিত নয়৷ তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় বিভিন্ন রকমের ভিটামিন, মিনারেল এবং প্রোটিনযুক্ত খাবার রাখুন৷ তাছাড়া খাবারের গুণগত মানটাই বড়, খাবারের পরিমাণ নয়।।
বিভিন্ন ধরনের জুস নানারকম ফল দিয়ে জুস তৈরি করা যায়। তার মধ্যে আম, বেল, কলা, পেঁপে, বাঙ্গি, তেঁতুল, জাম্বুরা, জামরুল, লটকন , অরবরই, চালতা, আখ এসব ফল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।।
পাকা পেঁপের দানার কিছু ওষুধি গুণ রয়েছে। লিভার, কিডনির সমস্যা থেকে উপশম এমনকি গর্ভনিরোধকের কাজেও প্রতিদিন এক চামচ পেঁপে দানার গুঁড়াই যথেষ্ট। এর গুণাগুণগুলো হলো-
ডিম উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার। একটি বড় আকারের ডিমে ছয় গ্রাম উচ্চ মানের প্রোটিন থাকে এবং ডিমের কুসুমে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লুটেইন ও জিক্সাথিন এমনকি ভিটামিন ‘ই’, ‘ডি’ এবং ‘এ’ থাকে।
শীতের সময় শরীর শুষ্ক হয়ে যায়। এ কারণে শরীরে চুলকানি, খসখসে ত্বকের মতো সমস্যা হয়। শীতের এই শুষ্কতা দূর করতে শুধু বাইরে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলেই হবে না, ভেতর থেকে শরীরকে আর্দ্র করতে প্রচুর পানি পান করার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার, প্রচুর ফল ও শাকসবজি খেলে শরীর আর্দ্র থাকে।।
ভিটামিন সি-তে ভরপুর কমলা। তবে এর খোসাতেও রয়েছে নানাগুণ।
ফুলকপি শীতকালীন সবজিগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি খুবই পুষ্টিকর একটি সবজি, যা রান্না কিংবা কাঁচা যে কোন প্রকারে খাওয়া যায়। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম প্রভৃতি রয়েছে। এগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগের হাত থেকে আমাদের রক্ষা করে।।
চা পানে শিশুদের ক্যালসিয়ামের শোষণ ব্যাহত হয়। যার ফলে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা যায়। শিশুকাল থেকে চা পান করলে যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো দেখা যায় তা হল
ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস হলুদ মেশানো দুধ পান করুন, এটি যেমন ঘুমের জন্য উপকারী, তেমনি ঠাণ্ডা ও কাশি দূর করতে সাহায্য করে
তাজা ফল ও সবজি খাওয়া শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ভাল। কিন্তু এই ফল বা সবজি পরে থাকতে থাকতে তা ক্রমেই বিষাক্ত হয়ে ওঠে। আর তা না জেনেই আমরা সেই সব ফল সবজি খেয়ে ফেলি। যার ফলে গুরুতর সংক্রমণের সমস্যা হতে পারে।।
মটরশুটির মধ্যে রয়েছে প্রোটিন। লবণ ও হালকা মরিচ দিয়ে মটরশুটি সেদ্ধ করে খেতে পারেন অথবা মটরশুটির স্যুপ তৈরি করেও খেতে পারেন। এগুলো শীতে আপনাকে স্বাস্থ্যবান রাখতে সাহায্য করবে।
ডিমের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সবার কম বেশি জানা আছে।। একটি ডিমে ৮৫% ক্যালরি এবং ৭% গ্রাম প্রোটিন থাকে।। যার মধ্যে কুসুমে ৯৫% ক্যালসিয়াম এবং আয়রন, সাদা অংশে বাকী ক্যালসিয়াম এবং আয়রন থাকে।।
কালো জাম, আপেল, আঙুর এগুলোতে রয়েছে এন্থোসায়ানিন নামক এন্টিঅক্সিডেন্ট যা রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।। এন্থোসায়ানিন মস্তিষ্কের বার্ধক্যজনিত পরিবর্তন যেমন- স্মরণশক্তি হ্রাস প্রতিরোধ করে।।
স্বাস্থ্যসচেতনতায় একটু বেশি সক্রিয় হওয়া সবসময়ই উচিত। তাই নজর রাখুন সাস্থ্যের প্রতি। মেনে চলুন সাস্থ্য রক্ষায় উপকারী নিয়মগুলো
দৈনন্দিন জিবনে মেকআপ নারীদের নিত্যসঙ্গী। সুন্দর দেখানোর ছাড়াও নিজের ভালো লাগা এবং চেহারায় সতেজ ভাব আনার জন্য মেকআপ ব্যবহার হয়ে থাকে আবার অনেকেই শখের বসে মেকআপ সংগ্রহ করে থাকেন। কিন্তু অন্য সকল প্রডাক্টের মত মেকআপেরও একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকে, তা কম বেশি আমরা সবাই জানি। নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে অন্যান্য প্রডাক্টের মতই মেকআপটি আর ব্যবহারযোগ্য থাকে না আবর কিছু মেকআপ আছে যা মেয়াদ উত্তীর্ণ তারিখের আগেই ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে যায়। তাই জেনে নিন কখন থেকে মে
ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম ও প্রোটিনের সমন্বয় থাকায় দুধকে বলা হয় সুপারফুড। ছোটবেলা থেকে দুধের উপকারিতা সম্পর্কে অনেক কথা শুনলেও বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অজান্তেই আমরা এই সুপারফুডটিকে খাদ্য তালিকার বাইরে পাঠিয়ে দিই৷ বেশিরভাগ মানুষই দুধকে সাধারন খাবার হিসাবে ধরেন কিন্তু দুধেরই রয়েছে আপনার শারীরিক নানা সমস্যা দূর করার অসাধারণ ক্ষমতা আসুন জেনে নিই দুধের পুষ্টিগুন...
শিম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।। শিম প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন আর মিনারেলে- সমৃদ্ধ।। যারা সরাসরি প্রোটিন খান না অর্থাৎ মাছ, মাংস খাওয়া হয় না, তাদের জন্য শিমের বিচি শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে পারে।।
ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পানি পান করা কিংবা চা খাওয়ার অভ্যাস অনেকেরই আছে। তবে এমন কিছু খাবার আছে যেগুলো খালি পেটে খাওয়া একদমই উচিত নয়। যে খাবারগুলো খালি পেটে খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকবেন।
শরীর ভালো থাকলে যেমন বাড়ে কাজের স্পৃহা , তেমন মন ও থাকে ফুরফুরে ও সতেজ। আর মন ভালো থাকলে সবকিছুই ভালো লাগে। তাছাড়া সুস্থ, সুন্দর ও ফিট শরীর সবারই কাম্য। তাইতো বলা হয়
বিশ্বে শতকরা ৩০ ভাগ মানুষ অ্যানিমিয়া অথবা রক্তস্বল্পতা সমস্যায় ভুগে থাকেন। আর এটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হয়ে থাকে আয়রনের অভাবের কারণে।। রক্ত কোষে আয়রন সমৃদ্ধ প্রোটিন হল হিমোগ্লোবিন। এর প্রধান কাজ হল ফুসফুস থেকে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে অক্সিজেন পরিবাহিত করা।।
সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা যায় যে, বাদাম খেলে বেশিরভাগ মানুষের কয়েক ধরণের ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমে। নিয়মিত বাদাম খেলে কিছু ক্যান্সারের ঝুঁকি চমৎকার ভাবে কমে।।
আমলকীতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি।। এতে আরো থাকে ফ্লেভোনয়েড, ট্যানিন এবং খনিজ পদার্থ। আমলকী খেলে সর্দি, কাশি থেকে শুরু করে অ্যাজমা, ব্রংকাইটিসের মত শ্বাসপ্রশ্বাস জনিত রোগগুলো থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।।
আপনার হাতের কাছে যদি থাকে ভিনেগার আর রান্না বসানোর আগে মাত্র ১৫ মিনিট সময়, তাহলেই আপনার পরিবারকে আপনি সুরক্ষিত রাখতে পারবেন ফরমালিনসহ যে কোনো ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য থেকে।।
আজকাল আমাদের খাদ্যাভ্যাসে এমন অনেক খাবার স্থান করে নিয়েছে, যেগুলো আসলে হজমে গড়বড়ের জন্য দায়ী। না বুঝেই রোজ আমরা খেয়ে চলেছি এইসব খাদ্য। এমন কিছু খাবার যেগুলো পেট খারাপ করে এবং আমাদের শারীরিকভাবে দুর্বল করে তোলে
শরীরের জন্য ক্যালসিয়াম জরুরি উপাদান। একটি শিশুর গর্ভস্থ অবস্থা থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ক্যালসিয়াম অপরিহার্য। আমাদের চারপাশে অসংখ্য শাকসবজি ও ফলে রয়েছে ক্যালসিয়াম। কিছু মাছ-মাংসেও রয়েছে এর বসবাস। কিন্তু সঠিক জ্ঞানের অভাবে আমরা ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খাচ্ছি না। পরিণামে শিকার হচ্ছি নানা রকম অসুখের।
রসুন ও মধুর মিশ্রণ বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ, ঠান্ডা, জ্বর, কফ ইত্যাদি সারাতে বেশ ভালো কাজ করে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কেবল সাতদিন রসুন ও মধুর মিশ্রণ খেলে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে শরীরকে অনেকটাই রক্ষা করা যায়।
পাচনতন্ত্র শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং এর সাথে সম্পর্কিত যেকোনো সমস্যাই অনেক অস্বস্তির কারণ হতে পারে।। এর প্রাথমিক কাজ হল আপনার শরীরের অত্যাবশ্যক পুষ্টি শোষণ করা এবং বজ্র পদার্থ থেকে পরিত্রাণ পেতে সাহায্য করা।।
ক্যানসার প্রতিরোধী বিভিন্ন খাবার প্রতিদিন কিছু পরিমাণে গ্রহণ করলে ঝুঁকি অনেকাংশে কমবে। আসুন, জেনে নিই সেই খাদ্য তালিক।।
সাধারণত ফল শুকিয়ে ফেলার পর এর মধ্যকার উপাদানের ঘনত্ব বেড়ে যায় বলে শুকনো ফলে সাধারণত ফলের চেয়ে বেশি পুষ্টি বা ক্যালরি থাকে।। শুকনো করে ফেলার পরও এতে ভিটামিন- এ, ভিটামিন- সি, রিবফ্লেভিন, থায়ামাইন ইত্যাদি পুরোপুরি সংরক্ষিত থাকে।।
যাদের পরিপাকে সমস্যা আছে তাদের ক্ষেত্রে খাবারের মাঝে পানি পান, জটিলতা আরও বাড়িয়ে তুলবে।। আপনি যখন খেতে শুরু করেন তখন পরিপাক তন্ত্র থেকে পাচক রস বের হতে শুরু করে।। আর এ সময় পানি পান করলে এই রস আরও তরল হয়ে যাবে।। যা খাবার পরিপাকে মারাত্মক ক্ষতি করে।।
বিশুদ্ধ খাবার খাব সুস্থ থাকার জন্য।। খাবার স্বাস্থ্যসম্মত না হলে শরীরে আক্রান্ত করবে নানারুপ ব্যাধি।। তাই আমাদের উচিত পুষ্টিগুণ সম্পন্ন এবং স্বাস্থ্যসম্মত বিশুদ্ধ খাবার।।
বর্তমানে খাদ্যে ভেজাল মেশানোর কথা সবারই জানা।। আমরা প্রতিনিয়ত যেসব খাবার গ্রহন করি তার মধ্যে রয়েছে ভেজাল।। খাদ্যে ভেজাল মেশানোর প্রক্রিয়াও ব্যতিক্রমধর্মী।। ভোক্তা সাধারণের চোখে ফাঁকি দিয়ে কিভাবে ভেজাল মেশানো যায় সেদিকে খেয়াল রাখছে এক অসাধু ব্যবসায়িরা।।
সুস্বাদু কাবাব তৈরি করতে কেবল বুঝি মাংসই লাগে? একদম ভুল ধারণা! আপনি চাইলে মাছ দিয়েই অসাধারণ স্বাদের কাবাব তৈরি করতে পারবেন যা হার মানাবে মাংসের স্বাদকেও। ঘরে অন্য কয়জন মাছ নেই, কেবল তেলাপিয়া আছে? চিন্তার কিছু নেই, এই তেলাপিয়া দিয়েই তৈরি হবে দারুণ এক কাবাব। চলুন তবে জেনে নিই ঝটপট রেসিপিটি।
কাজের তাগিতে ঘর থেকে আপনাকে প্রতিদিন বাইরে যেতেই হবে, আর গরমের এই সময়টাতে জীবন হয়ে ওঠে দুর্বিষহ। সূর্যের অতিরিক্ত তাপে গরমে ডিহাইড্রেশন সহ অবসাদ, জ্বর, ঠান্ডা, কাশি হতে পারে। তাই সুস্থ থাকার জন্য এইসময় দরকার একটু বাড়তি সতর্কতা। ঘর থেকে বাইরে যেতে মেনে চলুন কিছু নিয়ম তাহলেই এই গরমে থাকবেন সুস্থ-সতেজ।
আসুন স্যাধ্যের মধ্যে খাবারকে কতটুকু ফরমালিন ও কিটনাশক মুক্ত করা যায় তাই জানি
”ঘি তে শ্রী ‍বৃদ্ধি, দুধে বৃদ্ধি বল.. মাংশে মংশ বৃদ্ধি, শাকে বৃদ্ধি মল...
চাইনিজদের সুস্বাস্থ্য, পরিশ্রম করার ক্ষমতা এবং সবসময় হাস্যজ্জ্বল থাকার পেছনে মধুর ভাল ভুমিকা রয়েছে। প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু খাওয়ার অভ্যাস পাল্টে দিতে পারে আপনার শারীরিক অবস্থাকে।
লালভাতে থাকে ৭.৯ এমজি যা স্নায়ু এবং মস্তিস্কে পুষ্টি যোগাতে সাহায্য করে, এছাড়া চর্বি এবং আমিষ হজম করতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। এবার আপনি বেছে নিন আপনি কোন চালের ভাত খাবেন ?
Scroll